সেরা English Grammer Book পিডিএফ আকারে - ডাউনলোড করে নিন

আমি আপনাদের সাথে একটি English Grammar এর PDF version টি শেয়ার করব ।  বইটির জন্য অনেক request হয়েছিল । বইটি নাম LEGS (English Grammar For (S.S.C, H.S.C, Varsity Admission, BCS, IELTS) ।
যারা ফাইলটি ডাউনলোড করতে পারেন নাই তাদের জন্য আবারও আমি পোস্টটি পুনোরায় করছি । পূর্বে একবার টিউনটি করেছিলাম । কিন্তু মিডিয়াফায়ের সিকিউরিটি কারণে ফাইল টি delete করে দেয় । যারা মিস করেছিলেন তারা নিউ লিঙ্ক হতে ডাউনলোড করে নিন ।
 বইটি মাত্র   3.71mb ।  ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক  করুন ।

বলিউড অভিনেত্রীদের খোলামেলা কিছু ছবি, কে বেশী সেক্সি?

বেশ কিছু বলিউড অভিনেত্রীদের ছবি থেকে খুঁজে বের করুন কে বেশী সেক্সি?

সিগারেটে মৃত্যু, ২৩৬০ কোটি ডলার ‘পুরস্কার’



সিগারেট খাওয়ার কারণে এক মার্কিন নাগরিক ২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার পুরস্কার পেয়েছেন। বুকে ধাক্কা লাগার মতোই সংবাদ অবশ্যই। তবে পুরস্কারপ্রাপ্ত ওই মার্কিন নাগরিক জীবিত অবস্থায় এই পুরস্কার না পেলেও তার পক্ষে তার স্ত্রী এই বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় সিগারেট ব্রান্ড ক্যামেলের শরীরের ‘সিগারেট খেলে ফুসফুসে ক্যান্সার হয়’ এই কথাটা লেখা না থাকায় এই পরিমাণ অর্থ জরিমানা দিতে বাধ্য হয় আরজে রেনল্ডস টোবাকো। এই প্রতিষ্ঠানটি দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।

গত শুক্রবার রাতে ফ্লোরিডার পেনসাকোলা আদালত এই আদেশ জারি করেন। মিচেল জনসন নামের ওই ব্যক্তি ১৯৯৬ সালে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে ফুসফুস ক্যান্সারে মারা যান। জনসন জীবিত অবস্থায় প্রতিদিন ৬০টি সিগারেট টানতেন। টানা বিশ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি এই হারে সিগারেট টেনে গেছেন। ২০০৮ সালে তার স্ত্রী তার পক্ষে ফ্লোরিডার আদালতে সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

জনসনের পক্ষের আইনজীবী ক্রিস চেস্টনাট জানান, জনসন মৃত্যুর দিনেও সিগারেট টেনে গেছেন। তিনি এক মুহূর্তের জন্যও সিগারেট ছাড়েননি।

টানা চার সপ্তাহ দুই পক্ষের আইনজীবীর যুক্তি তর্কের উপর ভিত্তি করে প্রধান বিচারক এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, সিগারেট কোম্পানি তাদের পণ্যের মোড়কে ‘ধূমপান ফুসফুস ক্যান্সারের কারণ’ এই কথাটি লেখেনি। যে কারণে জনসনের বর্তমান স্ত্রী এবং সন্তানদের ৭৩ লাখ ডলার এবং তার আগের ঘরের সন্তানদের ৯৬ লাখ ডলার জরিমানা পাবেন সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে। এছাড়াও বিচারক মামলাকারীর দাবি মোতাবেক প্রতিষ্ঠানটিকে অভিযোগকারী বরাবর ২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার দিতে আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, এরআগে ২০০২ সালে আরজে রেনল্ড কোম্পানির বিরুদ্ধে একই অভিযোগে ফিলিপ মরিস নামের আরেক ব্যক্তি মামলা ঠুকেছিল। সেসময় আদালত কোম্পানিটিকে ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলার জরিমানা করে। যদিও পরবর্তীতে মামলাকারীর সঙ্গে কোম্পানিটি আপোষ রফার মাধ্যমে জরিমানার পরিমাণ কমিয়ে ২৮ লাখ ডলারে আনা হয়।

ভয়ংকর কোকাকোলা থেকে নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান!

যারা জানেন যে কোকা-কোলা শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং এর থেকে দূরে থাকছেন, তারা আরও নতুন কিছু জেনে নিতে পারেন এই পানীয়টি সম্পর্কে। আর যারা একে মজা করে খেয়ে চলেছেন প্রতিনিয়ত, তাদের জন্য তো এসব জেনে রাখা খুবই জরুরী। বিশ্বখ্যাত এই পানীয়টি মানব দেহের জন্য মারাত্মক। এর অ্যাসিডিটির পরিমাণ মোটামুটি গাড়ির ব্যাটারির কাছাকাছি। হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়, শরীরের হাড় নরম করে ফেলে, পাকস্থলীর টিস্যু হজম করে ফেলে আর সেই সাথে রয়েছে ক্যান্সারের সম্ভাবনা। আর একে ব্যবহার করে করা যায় এমন অদ্ভুত সব কাজ, যা জানতে পারলে সারা জীবনে যত কোকা-কোলা খেয়েছেন সব উগড়ে দিতে ইচ্ছে হবে আপনার! কী সেই কাজ, যাতে ব্যবহার করা যেতে পারে কোকা-কোলা?


১. কাপড় থেকে তেলের দাগ উঠিয়ে ফেলে
২. মরিচা দূর করতে পারে, মরচে পড়ে শক্ত হয়ে এঁটে থাকা নাট-বল্টু ঢিলা করে দেয়
৩. কাপড় থেকে রক্তের দাগ উঠিয়ে ফেলতে পারে
৪. মেঝে থেকে তেলের দাগ উঠিয়ে ফেলতে পারে
৫. এর মাঝে থাকা অ্যাসিড মেরে ফেলতে পারে বাগানে উপদ্রব করা শামুক জাতীয় প্রাণী
৬. পুড়ে যাওয়া হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া দাগ উঠিয়ে ফেলতে পারে
৭. চায়ের কেটলি থেকে পুরনো দাগ তুলে ফেলতে পারে
৮. গাড়ির ব্যাটারির টার্মিনালে পড়া শক্ত ময়লা তুলে ফেলতে পারে
৯. গাড়ির এঞ্জিন পরিষ্কার করে
১০. পুরনো কয়েন চকচকে করে ফেলে
১১. টাইলসের মাঝে পড়ে যাওয়া ময়লা উঠিয়ে ফেলে
১২. মানুষের দাঁত গলিয়ে ফেলতে পারে!
১৩. চুল থেকে চুইং গাম তুলে ফেলতে পারে
১৪. চিনামাটির বাসনপত্র থেকে দাগ তুলে ফেলতে পারে
১৫. ময়লা সুইমিং পুলের পানিতে কয়েক লিটার কোকা-কোলা ঢেলে দিলে পানিতে পরে থাকা লালচে স্তর দূর হয়ে যাবে
১৬. ডায়েট কোলা ব্যবহার করে চুলের ডাই তুলে ফেলা যায় অথবা হালকা করে ফেলা যায়
১৭. কার্পেটের থেকে মার্কারের দাগ উঠিয়ে ফেলতে পারে।
১৮. টয়লেট পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হতে পারে!
১৯. কোক আর অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করে ক্রোমিয়ামের জিনিসপত্র অনেক উজ্জ্বল করে ফেলা যায়
২০. ধাতব আসবাবপত্র থেকে রঙ উঠিয়ে ফেলতে পারে


চিন্তা করুন, কোকা-কোলা ব্যবহার করা যেতে পারে কাপড় পরিষ্কার করার ডিটারজেন্টের মতো, মরচে তোলার তার্পিনের মতো, ডিশওয়াশিং লিকুইডের মতো এমনকি বাথরুম পরিষ্কারের হারপিকের মতো! তো এসব রাসায়নিকের সাথে তুলনা করা যায় যে পানীয়কে, তা খাওয়া কি আসলে শরীরের জন্য ভালো? ভালোর কথা বাদ দিন, এটা শরীরের জন্য কতো খারাপ ভাবুন তো! ের পরেও কি আপনি কোকা-কোলা খেতেই থাকবেন?

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের র‌্যাম বাড়ানোর উপায়

মনের মতো পারফরমেন্স পাওয়ার জন্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ র‌্যাম থাকে না। আর ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের মতো অতিরিক্ত র‌্যাম লাগানোর কোনো সুযোগ নেই। তার মানে এই নয় যে, ওই অল্প র‌্যাম নিয়েই আপনাকে কাজ চালিয়ে নিতে হবে। আপনি চাইলেই আপনার স্মার্টফোনটি র‌্যাম বাড়িয়ে পারফরমেন্স আগের চেয়ে অনেক ভালো করতে পারেন। ফোনটিকে অবশ্যই রুট করে নিতে হবে। আর গুগল প্লেস্টোর থেকে Swapper for Root অ্যাপসটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। এই লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করুন
যা লাগবেRAM {focus_keyword} অ্যান্ড্রয়েড ফোনের র‌্যাম বাড়ান RAM ১.৬ এর পরবর্তী সংস্করণের অ্যান্ড্রয়েড ফোন সেটটি রুট থাকতে হবে একটি মাইক্রো এসডি (SD) কার্ড যেখানে কমপক্ষে ৩০০ MB জায়গা ফ্রি আছে
যা করতে হবে
১. অ্যাপসটি ইনস্টল করার পর ‘Active on Boot Swap’ বাটনে যান
২. EXT Partition SD Card নির্বাচন করুন
৩. এরপর File Dimension Swap (in MB) এ লিখে কতোখানি র‌্যাম আপনার দরকার। তবে সাধারণত সর্বোচ্চ ২৫৬ MB পর্যন্ত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
৪. এবার সেফ করুন।
ব্যস হয়ে গেল। দেখুন আপনার ফোনের র‌্যাম বেড়ে গেছে। আর কাজের গতিও বেড়েছে।

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ১০টি পরামর্শ

অধিকাংশ ব্যবহারকারীর কাছেই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালানো সহজ। আর অ্যান্ড্রয়েড একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় যে কেউ এতে ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করে পারে। আর এ কারণেই অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীদের সুযোগ রয়েছে একে মনের মতো করে সাজিয়ে নেওয়ার। এতে প্রয়োজন অনুযায়ী যেমন ব্যাটারি লাইফ বাড়ানো সম্ভব তেমন গতিও বাড়ানো সম্ভব। এ লেখায় থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য তেমন ১০টি টিপস।
১. পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্টের জন্য ‘গুগল নাও’
পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্টের প্রয়োজনে ব্যবহার করুন ‘গুগল নাও’ অ্যাপ। এজন্য গুগল অ্যাপে গিয়ে ‘গেট গুগল নাও’ লিখে ট্যাপ করলেই হবে। এরপর আপনার প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন সেট করুন।
২. লাঞ্চার ও লক স্ক্রিন বদলান
প্রতিদিন একই আবহাওয়া উইজেট দেখে আপনি ক্লান্ত? গুগল প্লে স্টোর থেকে আপনি এমন অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন যা, আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ইন্টারফেস বদলে দেবে। এজন্য অ্যান্ড্রয়েড লাঞ্চার ও লক স্ক্রিন রিপ্লেসমেনট সার্চ করুন।
৩.পাওয়ার সেভিংস মোড আনুন
আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস যদি প্রায়ই ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় পড়ে তাহলে পাওয়ার সেভিংসের কথা ভাবতে পারেন। এজন্য সেটিংস মেনুতে গিয়ে পাওয়ার সেভিংস মোড অন করুন। কিছু অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে রয়েছে এজন্য নানা ফিচার। যেমন গ্যালাক্সি এসফাইভে রয়েছে আল্ট্রা পাওয়ার সেভিংস মোড। এর মাধ্যমে কল, টেক্সট, ইন্টারনেট ব্রাউজ ইত্যাদি সব কাজেই পাওয়ার সেভ করা সম্ভব। তবে সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনে পাওয়ার সেভিংস মোড নেই।
৪. অতিরিক্ত একটি ব্যাটারি রাখুন
প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনেরই ব্যাটারির সমস্যা রয়েছে। আর সব সময় চার্জের ব্যবস্থাও হাতের কাছে থাকে না। এ সমস্যা অনেকাংশে সমাধান করা সম্ভব বাড়তি একটি ব্যাটারি ব্যবহার করে। চলার পথে ব্যবহার করতে করতে ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে চট করে এটি বদলে নেওয়া সম্ভব।
৫. গুগল অ্যাকাউন্টের সুবিধা নিন
আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের সুবিধা নেওয়ার জন্য গুগল ক্রোম ব্রাউজারে লগইন করতে পারেন। এতে আপনার বুকমার্ক ও অগ্রাধিকারগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসবে।
৬. অ্যাপগুলো ফোল্ডারে সাজান
আপনার প্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ভিন্ন ভিন্ন ফোল্ডারে সাজিয়ে রাখুন। এর ফলে প্রয়োজনের মুহূর্তে অ্যাপ খুঁজে বের করার ঝামেলা কমে যাবে। ফেল্ডার তৈরির জন্য অ্যাপটির আইকনের ওপর আঙুল ধরে তা ড্র্যাগ করে উপরের বাম পাশে ‘ক্রিয়েট ফোল্ডার’-এ নিয়ে যান।
৭. থার্ড পার্টি কিবোর্ড
আপনার ডিফল্ট কি বোর্ডে যদি টাইপ করতে সমস্যা হয় তাহলে তা বদলে ফেলার সুযোগ রয়েছে। এজন্য গুগল প্লে স্টোরে বহু অ্যাপ পাবেন, যেগুলো ব্যবহার করে সহজেই টাইপ করা সম্ভব।
৮. ক্রোমে ব্যান্ডউইথ ম্যানেজমেন্ট ব্যবহার করুন
আপনার যদি ইন্টারনেটের ডেটার লিমিট দ্রুত শেষ হয়ে যায় তাহলে ক্রোমের ব্যান্ডউইথ ম্যানেজমেন্ট ব্যবহার করুন। এতে অপ্রয়োজনীয় ডেটা বাদ দিয়ে ব্যান্ডউইথের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা সম্ভব হবে। প্রয়োজনে ছবিগুলোও এটি ছোট ফরম্যাটে নিয়ে এসে ব্যান্ডউইথের সাশ্রয় করতে পারে।
৯. গুগল অ্যাকাউন্টের সুরক্ষায় অথেনটিকেটর ব্যবহার
আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত থাকলে গুগল অথেনটিকেটর ব্যবহার করুন। এটি দুই পর্যায়ে অ্যাকাউন্ট ভ্যারিফিকেশন করে। ফলে লগইন করার সময় পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি একটি কোডও জেনারেট করার প্রয়োজন হয়।
১০. ডিফল্ট অ্যাপস বদলান
কোনো লিংকে ক্লিক করলে যে ব্রাউজারে তা ওপেন হয় তা কি বদলাতে চান? এ ধরনের কাজে ব্যবহৃত ডিফল্ট অ্যাপ যদি বদলাতে চান তাহলে সেটিংসে গিয়ে অ্যাপ সংলগ্ন ক্লিয়ার ডিফল্ট বাটনে চাপ দিন।
--টাইমস অফ ইন্ডিয়া অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব

হলিউডের সেরা ব্য্যবহুল ছবিগুলো

পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান : অ্যাট ওয়ার্ল্ডস এন্ড
ইন্ডিয়ানা জোনসের কাতারে পৌঁছে যাওয়া একালের ছবি 'পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান'। সিরিজের ৩ নম্বর সবচেয়ে খরুচে ছবির তালিকায় ১ নম্বরে আছে। সাফল্যের অর্ধেক কৃতিত্ব যদি জনি ডেপকে দিয়ে থাকেন, তাহলে বাকি অর্ধেকটা দিন এর প্রযোজককে। উইল টার্নার, জ্যাক স্প্যারো আর ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির সেনাদের কস্টিউম থেকে শুরু করে নিখুঁত সব ইফেক্টের পেছনে খরচ করেছেন হাত খুলে। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া এ ছবির মোট ব্যয় আজকের দিনের হিসাবে (অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি বিবেচনায় আনলে) প্রায় ৩৪ কোটি ১০ লাখ ডলার।
টাইটানিক
মুদ্রাস্ফীতি বিবেচনায় আনার পরই দেখা গেল, ব্যয়বহুলের তালিকায় দ্বিতীয় হয়ে গেল হলিউডের প্রায় অমর ছবি 'টাইটানিক'। ১৯৯৭ সালে খরচ হয়েছিল ২০ কোটি ডলার, যা এখনকার ২৯ কোটি ৪০ লাখ ডলারের সমান। সিনেমার জন্য ক্যালিফোর্নিয়ায় আস্ত একটা টাইটানিকই বানিয়ে ফেলতে হয়েছিল পরিচালক জেমস ক্যামেরনকে।
স্পাইডারম্যান থ্রি
টবি ম্যাগুয়ের অভিনীত শেষ ছবি। কমিক বইতে মোটামুটি যে কজন ভিলেন ছিল, সব কটিই নিয়ে এসেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মার্ভেল এন্টারটেইনমেন্ট। টাকার অঙ্কের বিচারে পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ানের আগে এটিই ছিল সবচেয়ে ব্যয়বহুল। বেশির ভাগই খরচ হয়েছে স্পেশাল ইফেক্টে। শুধু এ ছবির জন্যই সনি পিকচারস ইমেজওয়ার্ক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন ২০০ প্রোগ্রামার। তাঁরা এমন এক কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন, যা ওই সময় ছিলই না। সিনেমার জন্য ৯০০ ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট তৈরি করতে আস্ত সফটওয়্যারই বানাতে হয়েছে তাঁদের। এ ছাড়া স্পাইডারম্যানের ওড়াউড়ির একটি দৃশ্যের জন্য একটি মিনি শহরও তৈরি করা হয়। সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ২৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
ট্যাঙ্গলড
ডিজনির এ ছবি আর দশটি এনিমেশনের মতো নয়। ব্যয়বহুল ছবির তালিকায় ৪ নম্বরে উঠে আসার পেছনে একটি বড় কারণ এর শৈল্পিকতা। জার্মান রূপকথার চরিত্র রাপুনজেলের হলিউডি সংস্করণ 'ট্যাঙ্গলড'। খরচ হয়েছে ২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। প্রতিটি ফ্রেম যেন ক্যানভাসে আঁকা তৈলচিত্রের মতো দেখায়, পরিকল্পনা ছিল এমটাই। এ জন্য এনিমেশন টিমকে বলা হয়েছে, ফরাসি শিল্পী জ্যাঁ অনোরে-ফ্রাগোনার্দের 'দ্য সুইং' ছবিটিকে আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করে।
হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ ব্লাড প্রিন্স
পটার সিরিজের ৬ নম্বর ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৯ সালে। এখনকার হিসাবে এর বাজেট সাড়ে ২৭ কোটি ডলার। এখানেও ডিজাইন ও এনিমেশনেই খরচ হয়েছে বেশি। খুঁতখুঁতে পরিচালক আলফনসো কুয়ারোঁর জন্যই সম্ভবত বাজেট এত বেড়েছে। তা ছাড়া অনেক দৃশ্যের জন্যই আসল সেটের পাশাপাশি তৈরি করতে হয়েছে সিজিআই [কম্পিউটার জেনারেটেড ইমেজারি] সেট।
তালিকায় ৬ নম্বরে আছে ১৯৯৫ সালের 'ওয়াটারওয়ার্ল্ড'। ব্যয় এখনকার হিসাবে ২৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এক দিক দিয়ে ছবিটিকে ১ নম্বর বিবেচনা করা যায়। কারণ এতে কম্পিউটারনির্ভর স্পেশাল ইফেক্টের পেছনে খরচ করা হয়নি। পুরো ছবিটিই বানানো হয়েছে পানির ওপর। সেটগুলোও সব জীবন্ত। আবার এর জন্য নকল সাগরও বানাতে হয়েছিল, যেমনটা বানানো হয়েছিল টাইটানিকের জন্য।

লাদেনের মৃত্যু

একজন সাদাসিধে মা - মুহম্মদ জাফর ইকবাল

আমার মা সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখ খুব ভোরবেলা মারা গেছেন। আমার বাবা যখন মারা গেছেন তখন তাঁর কাছে কোনো আপনজন ছিল না, একটা নদীর তীরে জেটিতে দাঁড় করিয়ে পাকিস্তানি মিলিটারিরা গুলি করে তাঁকে হত্যা করে তাঁর দেহটা নদীতে ফেলে দিয়েছিল। আমার মা যখন মারা যান তখন তাঁর সব আপনজন, ছেলেমেয়ে ভাইবোন নাতি-নাতনি সবাই তাঁর পাশে ছিল। আমার বাবা যখন মারা যান, তখন আমার মায়ের বয়স মাত্র একচল্লিশ। তারপর আমার মা তাঁর সন্তানদের এবং তাঁর আপনজনদের জন্যে আরও তেতাল্লিশ বছর বেঁচেছিলেন।
আমার মায়ের মৃত্যুটি একান্তভাবেই একটি পারিবারিক ঘটনা হওয়ার কথা ছিল কিন্তু আমি এক ধরনের বিস্ময় নিয়ে আবিষ্কার করেছি তাঁর অসুস্থতার খবরটিও পত্রপত্রিকা এবং টেলিভিশনে প্রচার হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর খবরটি সব পত্রপত্রিকায় খুব গুরুত্ব দিয়ে ছেপেছে। যদি খবরের শিরোনাম হত, ‘‘হুমায়ূন আহমদের মায়ের জীবনাবসান’’, আমি সেটা স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে ধরে নিতাম। কিন্তু আমি খুব অবাক হয়েছি যখন দেখেছি আমার মাকে তাঁর নিজের নামে পরিচয় দিয়ে লিখেছে, “আয়েশা ফয়েজের জীবনাবসান”।
আমি জানতাম না এই দেশের মানুষ আমার মাকে তাঁর নিজের নামে চেনে। সেজন্যে আমি আজকে এই লেখাটি লিখতে বসেছি। মনে হয়েছে, যদি সত্যিই দেশের মানুষ তাঁকে তাঁর পরিচয় দিয়েই চেনে তাহলে হয়তো অনেকেই আমার একেবারে সাদাসিধে মায়ের জীবনের একটি দুটি ঘটনা শুনতে আপত্তি করবেন না।
HUMAYUN MOTHER - 1
মাঝে মাঝেই আমাকে কেউ একজন জিজ্ঞেস করেন, “আপনি আমেরিকার এত সুন্দর জীবন ছেড়ে দেশে কেন চলে এলেন?’’
নানাভাবে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে এখন হাল ছেড়ে দিয়েছি। নিজের দেশে ফিরে আসতে যে কোনো কারণ লাগে না বরং উল্টোটাই সত্যি, দেশত্যাগী হওয়ার পিছনে ভালো কারণ থাকা দরকার, সেটা কাকে বোঝাব?
প্রায় চল্লিশ বছর আগে আমি যখন আমেরিকায় গিয়েছিলাম তখন ই-মেইল, ইন্টারনেট আবিস্কার হয়নি, ডজন হিসেবে টিভি চ্যানেল ছিল না, টেলিফোন অনেক মূল্যবান বিষয় ছিল। মায়ের ফোন ছিল না; থাকলেও আমার তাঁকে নিয়মিত ফোন করার সামর্থ্য ছিল না। যোগাযোগ ছিল চিঠিতে। চিঠি লিখলে সেটা দেশে আসতে লাগত দশ দিন। উত্তর আসতে লাগত আরও দশ দিন। মেলবক্সে দেশ থেকে আসা একটা চিঠি যে কী অবিশ্বাস্য আনন্দের বিষয় ছিল সেটা এখন কেউ কল্পনাও করতে পারবে না।
সেই সময়ে আমার মা আমাকে প্রতি সপ্তাহে চিঠি লিখতেন। আমি জানি এটা বিশ্বাস করা কঠিন যে, আমি আমার আঠারো বছরের প্রবাসজীবনে প্রতি সপ্তাহে আমার মায়ের কাছ থেকে চিঠি পেয়েছি। আমার মা তাঁর গুটি গুটি হাতের লেখায় প্রতি সপ্তাহে আমাকে বাসার খবর দিয়েছেন, ভাইবোনদের খবর দিয়েছেন, আত্মীয়-স্বজনদের খবর দিয়েছেন, এমনকি দেশের খবরও দিয়েছেন। আমার প্রবাসজীবনে দেশ কখনও আমার কাছ থেকে দূরে সরে যেতে পারেনি শুধুমাত্র আমার মায়ের চিঠির কারণে।
কয়েক বছর পর বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদও পিএইচ-ডি করতে আমেরিকায় এসেছিল, তখন আমার মা প্রতি সপ্তাহে দুটি চিঠি লিখতেন, একটি আমাকে, আরেকটি আমার ভাইকে।
আমার মায়ের লেখা সেই চিঠিগুলো বাঁচিয়ে রাখিনি, এখন চিন্তা করে খুব দুঃখ হয়। যদি চিঠিগুলো থাকত তাহলে সেটি কী একটা অসাধারণ দলিল হত আমি সেটি চিন্তাও করতে পারি না।
আমার মা খুবই সাধারণ একজন সাদাসিধে মহিলা ছিলেন; অন্তত আমরা সবাই তাই জানতাম। দেশ স্বাধীন হবার পর যখন আমাদের থাকার জায়গা নেই, ঘুমানোর বিছানা নেই, পরনের কাপড় নেই, তখন হঠাৎ করে আমরা সবাই আমার মায়ের একটা সংগ্রামী নূতন রূপ আবিস্কার করলাম। আমরা ভাইবোনেরা সবাই লেখাপড়া করছি, কিছুতেই লেখাপড়া বন্ধ করা যাবে না, তাই বাবার গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স আর পেনশনের অল্প কিছু টাকার ওপর ভরসা করে ঢাকায় স্থায়ী হলেন। কী ভয়ংকর সেই সময়, এখন চিন্তা করলেও আমার ভয় হয়।
বাড়তি কিছু টাকা উপার্জনের জন্যে আমার মা একটা সেলাই মেশিন জোগাড় করে কাপড় সেলাই পর্যন্ত করেছেন। আমি পত্রিকায় কার্টুন আঁকি, গোপনে প্রাইভেট টিউশনি করি, এভাবে কোনোমতে টিকে আছি। বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদ পাশ করে একটা চাকরি পাবে সবাই সেই আশায় আছি।
এ রকম সময় আমি একদিন হঠাৎ করে বলাকা সিনেমা হলের নিচে একটা বইয়ের দোকানে পুরো‘মানিক গ্রন্থাবলী’ আবিস্কার করলাম। পূর্ণেন্দু পত্রীর আঁকা অপূর্ব প্রচ্ছদ, পুরো সেটের দাম তিনশ টাকা (এখনকার টাকায় সেটি নিশ্চয়ই দশ বারো হাজার টাকার সমান হবে)। এত টাকা আমি তখনও একসাথে হয়তো ছুঁয়েও দেখিনি। এই বইয়ের সেট আমার ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবু আমি বইগুলো হাত বুলিয়ে দেখি, লোভে আমার জিবে পানি এসে যায়।
যাই হোক, বিকালবেলা বাসায় ফিরে এসেছি, ভাইবোনদের সাথে কথা বলতে গিয়ে আমি তখন‘মানিক গ্রন্থাবলী’ এর সেটটার কথাই শুধু ঘুরে ফিরে বলছি, কী অপূর্ব সেই বইগুলো, দেখে কেমন লোভ হয়, কিছুই বলতে বাকি রাখিনি। আমার মা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন, জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘কত দাম?”
আমি বিশাল দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, “তিনশ টাকা।”
আমার মা বললেন, ‘‘আমি তোকে তিনশ টাকা দিচ্ছি, তুই কিনে নিয়ে আয়।”
আমি নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলাম না। আমাদের পরিবারের তখন যে অবস্থা, প্রত্যেকটি পয়সা গুণে গুণে খরচ করা হয়। তার মাঝে আমার মা আমাকে তিনশ টাকা দিয়ে দিচ্ছেন, এ রকম ভয়ংকর একটা বিলাসিতার জন্যে? ‘মানিক গ্রন্থাবলী’ কিনে আনার জন্যে? টাকাটা কোথা থেকে দিচ্ছেন, এই টাকা দিয়ে বই কিনে ফেলার পর সংসারের কোন চাকাটা অচল হয়ে পড়বে, আমার সেই সব জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল। আমি তার কিছুই করিনি, মায়ের হাত থেকে টাকাটা নিয়ে ছুটতে ছুটতে সেই বইয়ের দোকানে হাজির হলাম, ভয়ে বুক ধুকপুক করছে, এর মাঝে যদি কেউ সেই বইগুলো কিনে নিয়ে যায়, তাহলে কী হবে?
বইয়ের দোকানে গিয়ে দেখলাম বইগুলো তখনও আছে। আমি টাকা দিয়ে লোভীর মতো ‘মানিক গ্রন্থাবলী’ এর পুরো সেট ঘাড়ে তুলে নিলাম। আহা কী আনন্দ!
বাসায় সবাই বই পড়ে, তাই সেই আনন্দ শুধু আমার একার নয়, সবার। কেউ তখন বাসায় এলে বিচিত্র একটা দৃশ্য আবিস্কার করত। ঘরের একেক কোনায় একেকজন বসে, শুয়ে, আধশোয়া হয়ে, কাত হয়ে, সোজা হয়ে, ‘মানিক গ্রন্থাবলী’ পড়ছে।
HUMAYUN MOTHER - 2
তারপর বড় হয়েছি, জীবনে বেঁচে থাকলে অনেক কিছু কিনতে হয়, অন্য অনেকের মতো আমিও কিনেছি। আমেরিকায় থাকতে শো রুম থেকে নূতন গাড়ি কিনে ড্রাইভ করে বাসায় এসেছি, ঝকঝকে নূতন বাড়িও কিনেছি কিন্তু সেই ‘মানিক গ্রন্থাবলী’ কেনার মতো আনন্দ আর কখনও পাইনি। আমি জানি কখনও পাব না।
এটি আমার জীবনের ঘটনা, যারা আমার মায়ের কাছাকাছি এসেছে তাদের সবার জীবনে এ রকম ঘটনা আছে। কাউকে কিছু কিনে দিয়েছেন, কাউকে অর্থ-সাহায্য করেছেন, কাউকে চিকিৎসা করিয়েছেন, কাউকে উপহার দিয়ে অবাক করে দিয়েছেন কিংবা কাউকে শুধু আদর করেছেন, দুঃখের সময় মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছেন।
আমরা যখন আমেরিকায় থাকি তখন একবার তাঁকে আমাদের কাছে বেড়াতে নিয়ে গেলাম। আমেরিকা দেখে আমার মা খুবই অবাক, তার শুধু একটাই প্রশ্ন, মানুষজন কোথায় গেল? আমরা তাঁকে বোঝাই, মানুষজন কোথাও যায়নি, যাদের দেখছেন তারাই আমেরিকার মানুষ। আমরা যখন বাসায় থাকি না তখন মাঝে মাঝে আমার মা হাঁটতে বের হন, রাস্তা ধরে এদিক সেদিক হেঁটে আসেন। একদিন হেঁটে এসে আমাদের বললেন, “তোরা কখনও বলিসনি, এখানে একটা কবরস্থান আছে। কী সুন্দর কবরস্থান, কবরের উপর কত ফুল। আমি সেই কবরগুলো জেয়ারত করে এসেছি।”
আমি মাথায় হাত দিয়ে বললাম, “হায় হায়! আপনি জানেন কী করেছেন?”
মা বললেন, ‘‘কী করেছি?’’
আমি বলাম, ‘ওটা কুকুর বেড়ালের কবর। আপনি কুকুর বেড়ালের কবর জেয়ারত করে ফেলেছেন!”
এই দেশে কবরস্থানে কুকুর বেড়ালকে কবর দেওয়া হয় শুনে মা চোখ কপালে তুললেন আর আমরা হেসে কুটি কুটি হলাম।
দেশে থাকতে মা কত রকম কাজকর্মে ব্যস্ত থাকেন, আমেরিকায় তার কোনো কাজকর্ম নেই। আমার ছেলেমেয়েরা ছোট, তাদের বাংলা পড়তে শেখান। তখন নূতন পারসোনাল কম্পিউটার বের হয়েছে, বাসায় একটা আছে, আমি সেখানে বাংলা লেখার ব্যবস্থা করেছি। একদিন মাকে বাংলা লেখা শিখিয়ে দিলাম। আমার মা তখন কম্পিউটারে বাংলায় দেশে ছেলেমেয়ে নাতি-নাতনির কাছে চিঠি লিখতে শুরু করলেন। কম্পিউটারে বাংলায় লেখা মায়ের চিঠি দেখে দেশে সবাই হতবাক হয়ে গেল।
এত কিছু করেও মায়ের অনেক অবসর। আমার স্ত্রী তখন মাকে বলল, ‘‘আপনার এত ঘটনাবহুল একটা জীবন, আপনি বসে বসে সেই জীবনীটুকু লিখে ফেলেন না কেন?”
আমার মা একটু ইতস্তত করে শেষ পর্যন্ত লিখতে রাজি হলেন। তারপর বসে বসে তাঁর বৈচিত্রময় জীবনীটুকু লিখে ফেলেন, আমি কম্পিউটারে সেটা টাইপ করে দিলাম। মা দেশে ফিরে যাবার সময় তাঁর হাতে পুরো পাণ্ডুলিপিটা দিয়ে দিলাম। ইচ্ছে করলেই কোনো প্রকাশককে দিয়ে সেটা প্রকাশ করানো যেত কিন্তু কোনো একটা অজ্ঞাত কারণে সেটা দেশে বাক্সবন্দি হয়ে থাকল। আমরা আমার মায়ের লেখা আত্মজীবনীর কথা ভুলেই গেলাম।
তারপর বহুদিন কেটে গেছে, আমি দেশে ফিরে এসেছি, তখন হঠাৎ করে উইয়ে কাটা অবস্থায় এই পাণ্ডুলিপি নূতন করে আবিস্কৃত হল, আমি তখন উদ্যোগ নিয়ে ‘সময় প্রকাশনী’ কে সেটি দিয়েছি ছাপানোর জন্যে। তারা খুব আগ্রহ নিয়ে প্রকাশ করার দায়িত্ব নিয়ে নিল। যখন বইয়ের ছাপা শেষ, বাঁধাই হচ্ছে, তখন হঠাৎ করে আমার মায়ের খুব শরীর খারাপ। কী কারণে তাঁর ধারণা হল তিনি বুঝি আর বাঁচবেন না। আমি তখন সিলেটে, আমাকে ফোন করে বললেন, ‘‘বাবা, যদি তোদের সাথে কখনও ভুল করে থাকি, মনে কষ্ট রাখিস না। আমাকে মাফ করে দিস।”
শুনে আমার মাথা খারাপ হওয়ার অবস্থা, মাকে মাফ করে দেব মানে? আমি তখন তখনই ‘সময় প্রকাশনী’ এর স্বত্ত্বাধিকারী ফরিদ আহমেদকে ফোন করে জিজ্ঞেস করলাম আমার মায়ের বইয়ের কী অবস্থা। ফরিদ জানালেন, বই বাঁধাই হচ্ছে। আমি বললাম, এই মুহূর্তে দুটি বই বাঁধাই করে আমার মায়ের হাতে দিয়ে আসতে হবে। আমি জানি, একজন লেখকের জীবনের প্রথম বইয়ের থেকে বড় আনন্দ পৃথিবীতে নেই। ফরিদ ছুটতে ছুটতে বই নিয়ে আমার মায়ের হাতে তুলে দিলেন, সাথে সাথে আমার মায়ের সব অসুস্থতা দূর হয়ে গেল। আমার মা পুরোপুরি ভালো হয়ে গেলেন। শুধু ডাক্তারেরা চিকিৎসা করে কে বলেছে, আমিও চিকিৎসা করতে পারি।
আমার মা খুবই আন্তরিকভাবে এই বইটি লিখেছিলেন, যারাই বইটি পড়েছে তাদের সবার হৃদয় স্পর্শ করেছে। একজন মানুষ জীবনে কতভাবে কষ্ট পেতে পারে এই বইটি পড়লে সেটি বোঝা যায়।
হুমায়ূন আহমেদ মারা যাবার পর আমার মা আবার নূতন করে যে কষ্ট পেয়েছিলেন সেই কষ্ট থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন আমরা কেউ ভাবিনি। সেই কষ্ট ভুলে থাকার জন্যে আমার মা বসে বসে তাঁর কাছে চিঠি লেখার মতো করে অনেক কিছু লিখেছেন। পাণ্ডুলিপিটি আমার কাছে আছে, হয়তো এটাও কোনো প্রকাশককে দিয়ে কখনও প্রকাশ করিয়ে দেব।
হুমায়ূন আহমদের মৃত্যুটি আমার মাকে খুব বড় একটা আঘাত দিয়েছে, সত্যিকারভাবে আমার মা কখনও-ই সেই আঘাত থেকে বের হতে পারেননি। আমরা টের পেতাম তাঁর মনটি ভেঙে গেছে, একজনের মন ভেঙে গেলে তাঁকে জোর করে বেশিদিন বাঁচিয়ে রাখা যায় না। আমরাও পারিনি, গত ২৭ তারিখ আমার মা তাঁর বড় ছেলে হুমায়ূন আহমেদের কাছে চলে গেছেন। সে সম্ভবত আমার বাবাকে নিয়ে আমার মায়ের জন্যে অপেক্ষা করছিল। তাঁরা তখন একজন আরেকজনকে কী বলেছিল আমার খুব জানার কৌতূহল হয়।
খবরের কাগজে আমার মায়ের মৃত্যুসংবাদ ছাপানোর সময় অনেকেই তাঁকে ‘রত্নগর্ভা’ বলে সম্বোধন করেছে। এই বিশেষণটি পড়ে আমি দুই কারণে একটু অস্বস্তি বোধ করেছি। এক, এটি সত্যি হলে আমাদের ভাইবোনের সবাই ছোটবড় রত্ন হয়ে ওঠার একটা চাপ থাকে, কাজটি সহজ নয়। দুই, এই বিশেষণটি সত্যি হলে বোঝানো হয় আমার মায়ের নিজের কোনো অবদান নেই, তাঁর একমাত্র অবদান হচ্ছে তিনি ছোট বড় মাঝারি ‘রত্ন’ জন্ম দিয়েছেন।
কিন্তু আমি জানি ‘রত্নগর্ভা’ হিসেবে নয়, আসলে আমার মা একজন খুব সাদাসিধে মা হিসেবেই অনেক বড় অবদান রেখেছেন। আমার মা যেভাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে আমাদের পুরো পরিবারটিকে রক্ষা করেছেন তার কোনো তুলনা নেই। যদি বুক আগলে আমাদের রক্ষা না করতেন তাহলে আমরা কেউই টিকে থাকতে পারতাম না।
কীভাবে কীভাবে জানি আমার মায়ের একটা পরিচিতি হয়েছে, তিনি অসুস্থ হলে টেলিভিশনে খবর প্রচারিত হয়, তিনি মারা গেলে খবরের কাগজে কালো বর্ডার দিয়ে খবর ছাপা হয়। কিন্তু আমি আমার মাকে দেখে বুঝেছি, এই বাংলাদেশে নিশ্চয়ই আমার মায়ের মতো অসংখ্য মায়েরা আছেন যাঁরা যুদ্ধে স্বামীকে হারিয়েছিলেন এবং যাঁরা নিজের সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখার জন্যে ঠিক আমার মায়ের মতো সংগ্রাম করেছিলেন। তাঁদের কথা কেউ জানে না, তাঁদের কথা কেউ বলে না।
আমার মনে হয় আমাদের বাংলাদেশ যে পৃথিবীর অন্য দশটা থেকে ভিন্ন তার একটা বড় কারণ মুক্তিযুদ্ধের পর এই দেশে অনেক মায়েরা ঘর থেকে বের হয়ে সংগ্রাম শুরু করেছেন। বেঁচে থাকার জন্যে সেই সংগ্রামের কথা কতজন জানে? মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধক্ষেত্রে যে যুদ্ধ করেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পর আমাদের দেশের সেই মায়েদের যুদ্ধ তাঁদের থেকে কোনো অংশে কম নয়, আমরা কি সেটা মনে রাখি?
একদিন যখন বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াবে তখন আমরা কি বাংলাদেশের সেই অসংখ্য মায়েদের কথা স্মরণ রাখব? যে সাদাসিধে মায়েরা সন্তানদের রক্ষা করার জন্যে সিংহীর সাহস নিয়ে কঠিন পৃথিবীর মুখোমুখি হয়েছিলেন? বুক আগলে তাদের রক্ষা করেছিলেন?

আমি আজকে আমার নিজের মায়ের সাথে সাথে বাংলাদেশের এ রকম অসংখ্য মায়েদের কাছে একটুখানি ভালোবাসা, একটুখানি শ্রদ্ধা পৌঁছে দিতে চাই।

ভুয়া ইমেইল থেকে নিরাপদ থাকতে .....................

চাকরির সন্ধানদাতা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিদেশে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে নতুন ধরনের প্রতারণার ফাঁদ পাতছে প্রতারক চক্র। আবেদন করলেই ই-মেইলে মিলছে ‘অফার লেটার’ বা প্রাথমিক নিয়োগপত্র। এরপর স্বাস্থ্যপরীক্ষার নামে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
প্রথম আলোর অনুসন্ধানে এ ধরনের প্রতারণার বেশ কয়েকটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে।
দেখা গেছে, প্রতারক চক্র ইন্টারনেটে চাকরির সন্ধানদাতা বিভিন্ন সাইটে (জব সাইটে) বিদেশে চাকরির বিজ্ঞাপন দেয়। অনলাইনে আবেদন করার পর চাকরিপ্রার্থীর মুঠোফোন নম্বরে খুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠিয়ে বলা হয়, তাঁকে চাকরির জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এরপর ওই ব্যক্তির ই-মেইলেও পাঠানো হয় ‘অফার লেটার’। তাতে চাকরিস্থল, বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কথা লিখে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করতে বলা হয়। এ জন্য কয়েক ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে একটি মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়। ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে একটি মেডিকেল সেন্টারের ঠিকানা দেওয়া হয়। এরপর সেখানে গেলে টাকা নিয়ে তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে খুব দ্রুত প্রতিবেদনও দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্যপরীক্ষা শেষ হওয়ার পর চাকরির নিয়োগদাতা ই-মেইল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এবং ওই মুঠোফোনও বন্ধ থাকে। পৃথকভাবে এমন প্রতারণার শিকার ১০ জন প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যপরীক্ষার কয়েক দিন পর তাঁরা বুঝতে পারেন যে তাঁরা প্রতারিত হয়েছেন। এতে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা খোয়া যায়। তাই এই ১০ জনের কেউ বাড়তি ঝামেলার আশঙ্কায় পুলিশের কাছে অভিযোগও করতে আগ্রহী হননি। তবে তাঁদের বিশ্বাস, ওই সব মেডিকেল সেন্টারকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করা যাবে।
প্রতারণার শিকার একজন আবদুল মালেক খন্দকার। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাস করে চাকরি খুঁজছিলেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, একটি জব সাইটে ডেনমার্কে একটি চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে আবেদন করে ই-মেইলে ‘অফার লেটার’ পান তিনি। তাতে বলা হয়, ডেনমার্কের ‘লিডশা রিয়েল এস্টেট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে সহকারী মার্চেন্ডাইজার পদে তিনি মনোনীত হয়েছেন। মাসিক বেতন এক হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার। অফার লেটারে একটি মুঠোফোন নম্বর দিয়ে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য যোগাযোগ করতে বলা হয়। ওই নম্বরে ফোন করার পর স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য দ্রুত বনানীর একটি মেডিকেল সেন্টারে যেতে বলা হয়। ঠিকানা অনুযায়ী তিনি তৎক্ষণাৎ সেখানে যান। একটি বাড়ির দোতলায় কথিত মেডিকেল সেন্টার। যাওয়া মাত্র কয়েকজন দ্রুত তাঁর স্বাস্থ্যপরীক্ষা করেন। পরীক্ষা বাবদ তাঁরা চার হাজার ৯০০ টাকা নেন। ওই দিন স্বাস্থ্যপরীক্ষার প্রতিবেদন দেওয়া হয়। তাতে সবকিছু ঠিকঠাক আছে বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর ওই মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পান। ই-মেইলেও কোনো জবাব নেই।
আবদুল মালেকের অফার লেটারে ডেনমার্কের ওই কথিত কোম্পানির বাংলাদেশ এজেন্ট হিসেবে যে প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা দেওয়া হয়েছে, বাস্তবে তারও কোনো অস্তিত্ব নেই।
প্রতারিত অন্যদের ক্ষেত্রেও গল্প একই। কেবল কথিত চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা ও ঢাকায় স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য পাঠানো মেডিকেল সেন্টার ভিন্ন।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানকালে এ প্রতিবেদকদ্বয়ের একজন ইন্টারনেটে চাকরির সন্ধানদাতা একটি সাইটে ঢুকে সিঙ্গাপুরে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখে আবেদন করেন। যথারীতি আসে খুদে বার্তা ও ই-মেইলে অফার লেটার। বলা হয়, সিঙ্গাপুরের ‘হ্যাজলিল’ নামের একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী কর্মকর্তা পদে চাকরি হয়েছে। তাতে হ্যাজলিলের বাংলাদেশের এজেন্ট হিসেবে চট্টগ্রামের ‘সন্দ্বীপ ওভারসিজের’ নাম রয়েছে। তবে এর বিস্তারিত কোনো ঠিকানা দেওয়া হয়নি। অফার লেটারে থাকা মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে দ্রুত স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য আরামবাগের ইনার সার্কুলার রোডের ‘মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেড’-এ যেতে বলা হয়।
মুঠোফোনে এ বিষয়ে কথা বলার একপর্যায়ে সাংবাদিক পরিচয় দিলে অপরপ্রান্ত থেকে গালি দিয়ে বলা হয়, ‘আপনার ফাইল বাতিল করা হয়েছে।’ এরপর মুঠোফোনটি বন্ধ থাকে।
পরে আরামবাগে গিয়ে দেখা যায়, একটি আধা নির্মিত বহুতল ভবনের তৃতীয় তলায় রয়েছে মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের সাইনবোর্ড। চলতি বছরের ১৪ জুন এটি উদ্বোধন করা হয়েছে বলে সাইনবোর্ডে উল্লেখ রয়েছে। ভেতরে তিন-চারটি কাচে ঘেরা কক্ষ রয়েছে।
মোজাম্মেল হক নামের একজন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা দাবি করেন, ‘আমরা ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও সিঙ্গাপুর যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করি। দিনে ৫০ থেকে ৬০ জনের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হয়। সন্দ্বীপ ওভারসিজের লোকেরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলেছে, তারা কয়েকজনের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করাতে চায়।’
সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সন্দ্বীপ ওভারসিজের ঠিকানা বা যোগাযোগের নম্বর চাইলে মোজাম্মেল বলেন, ‘আসলে আপনাকে বেশি তথ্য দিতে পারছি না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনশক্তি ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক শামসুন্নাহার প্রথম আলোকে বলেন, মানুষ একটু সচেতন হলেই যেকোনো ধরনের প্রতারণা থেকে মুক্ত হতে পারে। সরকারের নিবন্ধিত রিক্রুটিং এজেন্সি ছাড়া আর কোনো প্রতিষ্ঠান কাউকে চাকরি দিয়ে বিদেশে পাঠাতে পারে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বিদেশে চাকরির কথা বলে, তখনই ওই প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নম্বর জানতে চাওয়া উচিত।
ব্যুরোর আরেক কর্মকর্তা বলেন, যদি মৌখিক বা লিখিত পরীক্ষা ছাড়া কেউ এ রকম চাকরির অফার লেটার পাঠায়, তাহলে যাচাই-বাছাই করতে হবে। যে প্রতিষ্ঠানে চাকরির কথা বলা হচ্ছে, সেই প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব আদৌ আছে কি না; থাকলে ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে সরকারি অনুমোদনসহ বিভিন্ন বৈধতা যাচাই করতে হবে।

না বুঝে করা যে ভুলগুলো কেড়ে নেয় আপনার মনের মানুষটিকে!

দাম্পত্য ও ভালোবাসার যেকোনো সম্পর্কই সঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন অনেক বেশি মমতার। সম্পর্কের প্রতি মমতা। আপনার সঙ্গীর এবং সঙ্গীর প্রতিটি বিষয়ের প্রতি মমতা। কারণ সম্পর্ক অনেকটা স্বচ্ছ কাঁচের মতো হয়ে থাকে

IMAGE থেকে TEXT আলাদা করুন সহজে (মেগা পোস্ট)

নিয়ে এলাম চরম একটি পোস্ট নিয়ে। বুঝেছেনই নিশ্চয়ই আজ কি শেয়ার করতে যাচ্ছি। আমাকে বেশ কয়েকজন অনুরোধ করেছিলেন অটো রিফ্রেশার নিয়ে পোস্ট করার জন্য। তাই নিয়ে এলাম সবচেয়ে সোজা পদ্ধতি নিয়ে!

Going up! Cosmic elevator could reach space on a cable made of diamonds

Want to ride an elevator into space? While the idea has been around for more than 100 years, a breakthrough in nanotechnology could mean we will be riding into space on a cable made of diamonds.

Apple's designer accuses copycats of theft

Sir Jonathan says his design work meant missed weekends with the family

Related Stories

Apple's lead designer Sir Jonathan "Jony" Ive has hit out at companies he believes copy his firm's products.

Only 100 cybercrime brains worldwide says Europol boss

There are only "around 100" cybercriminal kingpins behind global cybercrime, according to the head of Europol's Cybercrime Centre.
Speaking to the BBC's Tech Tent radio show, Troels Oerting said that

Nude 'Snapchat images' put online by hackers

Explicit images believed to have been sent through messaging service Snapchat were reportedly put online, with threats from hackers to upload more.

Microsoft's Nadella sorry for women's pay comments

The boss of Microsoft, Satya Nadella, has apologised for remarks he made advising women not to ask for a pay rise but to have "faith in the system".

হৃতিকের আবার ছক্কা

মাঠে নামলেই ছক্কা হাঁকাচ্ছেন। ফর্মের তুঙ্গে থাকলে যা হয়। কৃষ থ্রির পর আরও একটি ছবি শতকোটির ক্লাবে ঢুকল হৃতিক রোশনের। ব্যাং ব্যাং যদিও সমালোচকদের কাছ থেকে পেয়েছিল মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

শিশুবন্ধু কৈলাশ সত্যার্থী

এ বছর যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন পাকিস্তানের ১৭ বছর বয়সী কিশোরী মালালা ইউসুফজাই আর ভারতের কৈলাশ সত্যার্থী। নারীশিক্ষার পক্ষে আন্দোলন করতে গিয়ে তালেবানের চক্ষুশূলে পরিণত হন মালালা।

ভারতে ব্যবসার সন্ধানে ফেসবুক কর্ণধার জাকারবার্গ

ভারতে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা যত, আমেরিকা ছাড়া অন্য কোনও দেশে তত নয়।
কিন্তু তারপরও ওই সংস্থার মোট রাজস্বের ০.১ শতাংশেরও কম ভারত থেকে সংগৃহীত হয়।
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ দুদিনের ভারত সফরে এসে সফরে এসে দিল্লিতে প্রথমেই যে মন্তব্যটা করেছেন, তা অবশ্য ভারতের জন্য খুব একটা শ্রুতিমধুর নয়।

নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন মালালা এবং কৈলাশ সাতিয়ার্থী

এবছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভারতীয় মানবাধিকার কর্মী কৈলাশ সাতিয়ার্থী এবং পাকিস্তানী স্কুল ছাত্রী মালালা ইউসুফজাই।

নারী শিক্ষায় বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে

মালালা ইউসুফজাই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর পাকিস্তানে নারী শিক্ষার পথে ধর্মীয় রক্ষণশীলতা এবং উগ্রবাদী ইসলামিক মতাদর্শের ভূমিকা আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে। কিন্তু প্রায় একই ধরণের আর্থ-সামাজিক অবস্থান থেকে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ এক্ষেত্রে ঈর্ষণীয় সাফল্য দেখিয়েছে। বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিকভাবে সবার প্রশংসাও অর্জন করেছে।

আপনার স্তন ঝুলে যাওয়া থেকে বাঁচুন!



বয়স বাড়ার সাথে সাথে একটি নির্দিষ্ট কৌনিক মাত্রায় স্তন ঝুলে যাওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু কিশোরী বয়সে স্তন ঢিলা হয়ে যাবার প্রবনতা স্বাভাবিক শাররীক পরিবর্তনের পর্যায়ে পড়েনা। কিশোরীর স্তন ঝুলে যাবার সম্ভাব্য কারনগুলোর মধ্যে আছে শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া, সন্তান গর্ভধারন, ধুমপান অথবা বংশগত কারনে বড় আকৃতির স্তন থাকা এবং বড় স্তনে প্রয়োজনীয় সার্পোট/সঠিক আকারের ব্রা পরিধান না করা।

তরুনীরা ব্রা কেনার আগে জরুরী এই বিষয় গুলো জেনে নিন

ব্রেসিয়ার কিনতে গিয়ে অনেকেকেই ঝামেলায় পড়তে হয়। নানান বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ব্রা কিনতে গিয়ে ঝামেলা হয় সঠিক আকার নিয়ে, আবার কিনে আনার পর বাড়িতে এসেও দেখা যায় ঠিক মত ফিট হচ্ছে না।

ছবি ব্লগ

তরুণ তরুণীদের কাছে প্রিন্টের কাপড় জনপ্রিয় হচ্ছে

ইদানীং তরুণ তরুণীদের মধ্যে প্রিন্টের কাপড় পরিধান করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে প্রিটের টপস তরুণীরা আগে থেকেই ব্যবহার করে আসছিলো। যুগের সাথে তাল মিলাবার জন্য বর্তমানে তারা আবার প্রিন্টকেই বেছে নিয়েছে। হয়ত গরমের আবওহাওয়াতে অন্যান্য কাপড়ের চেয়ে প্রিন্ট ভালো মানিয়ে নিয়েছে।

ম্যাক্সিম প্রচ্ছদে অন্যরকম নার্গিস ফাকরি!



রকস্টার ছবির নায়িকা নার্গিস ফাকরি ম্যাক্সিম ম্যাগাজিনের সেপ্টেম্বর সংখ্যার প্রচ্ছদ কন্যা হয়েছেন। নিজেকে তুলে ধরেছনে খোলামেলাভাবে।

আকর্ষণীয় নার্গিসের ভিন্নধর্মী প্রচেষ্টা

 যেখানে পুরো বলিউড 'আইস বাকেট চ্যালেঞ্জ' নিয়ে মাতামাতিতে ব্যস্ত শেখানে একটি ভিন্নধর্মী কাজে অংশ নিয়ে আরও একবার প্রমাণ করলেন যে তিনি সবার থেকে আলাদা।

৫৫টি নগ্ন ছবি ফাঁস, আবারো আলোচনায় হলিউড অভিনেত্রী লরেন্স!

হলিউডের আবেদনময়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্সের সময়টা ভালো যাচ্ছে না। একের পর এক ব্যক্তিগত ছবি ফাঁস হচ্ছে আর সমালোচনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে অস্কারজয়ী এই নায়িকাকে।

চলতি বছরে সবচাইতে আবেদনময় ও বিতর্কিত ৫ বলিউড মুভি পোস্টার

২০১৪ সাল শেষ হতে আরো মাস তিনেক বাকী, কিন্তু এ কথা বলা যেতে পারে এ বছর বলিউডে সবচেয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে সিনেমা পোস্টার নিয়ে। সিনেমা মুক্তির আগেই দর্শকদের মনোযোগ কাড়ার এক নতুন কৌশল বেছে নিয়েছে নির্মাতারা।

নতুন করে কার প্রেমে পড়লেন আকর্ষণীয় সানি?


ববি খান পরিচালিত আগামী সিনেমা ‘লীলা’৷সিনেমাতে রানির চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে আকর্ষণীয় সানিকে৷ এখবর পুরোনো হলেও নতুন খবর হল এই সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে সানি প্রেমে পড়ে গেছেন। তবে কার প্রেমে পড়লেন আবেদনময়ী সানি লিওন।

নার্গিস ফাকরির দারুণ আবেদনময় সাম্প্রতিক ফটোশুট

বলিউডের এ সমেয়ের আবেদনময়ী নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফকেও যে হার মানাবেন তিনি। বিশ্বাস হচ্ছে না তো? এই অভিনেত্রী মডেলের সাম্প্রতিক ফটোশুট দেখলে আপনিও একই কথা বলতে শুরু করবেন। তবে কে সেই আবেদনময়ী নায়িকা সেটাই তো জানা হলো না!

বলিউডে সময় এখন আকর্ষণীয় শ্রুতির

দক্ষিণ ভারতের তেলেগু ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি সুপারস্টার। বলিউডে এখনো নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারেননি কমল হাসানের বড় মেয়ে শ্রুতি হাসান। তবে হাল ছেড়ে দেবার মতো মেয়েই নন শ্রুতি। বলিউডে নিজের স্থান করে নিতে দিনরাত এক করে দিচ্ছেন এই আকর্ষণীয় নায়িকা।

নিউইয়র্কে ঝুলছে প্রিয়াঙ্কার বিলবোর্ড


বলিউডের দর্শক নন্দিত অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রচারণার একটি বিলবোর্ডে মডেল হয়েছিলেন। আর এটি এখন শোভা পাচ্ছে নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে।

বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিলেন বিপাশা বসু!


সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এ বছরের শেষের দিকে বিয়ের পিড়িতে বসতে যাচ্ছেন বলিউডের আবেদনময়ী অভিনেত্রী বিপাশা বসু। আর পাত্রের নাম কারো অজানা নয় হারমান বাওয়েজা। তবে শোনা যাচ্ছে এবছরেও বিয়ে সম্ভব নয়।

বউ এর বান্ধবীর ফর্সা গুদ রসে ভিজিয়ে দিলাম

গ্রামের দিকে আমি বিয়ে করেছি। আমার বউ সবে মাত্র ইন্টার পাশ করেছে। বিয়রে পর আমার বউ কে ঢাকানিয়েএসেছি। আমি একটা ছোট সরকারি চাকরি করছি। আমার জবটা হচ্ছে টুরিং জব। এইজন্য মাসে ৬/৭ দিনঢাকারবাহিরে থাকতে হয়। এই কারনে একটি কাজের মেয়ে রাখা হয়েছে। বাসায় কেবল একটি কাজের মেয়ে। বয়স১৪/১৫হবে।