২০১২ সালে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাসে তালেবানের গুলির শিকার হন তিনি। এরপর বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন মালালা। কিন্তু সে তুলনায় কৈলাশের নাম ভারত ছাড়া বিশ্ববাসীর কাছে অনেকটাই অপরিচিত।
নোবেল পুরস্কার পাওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে আজ কৈলাশকে নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। শিশু অধিকার আন্দোলনের অন্যতম কৈলাশ সত্যার্থীর জন্ম ১৯৫৪ সালে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের বিদিশা শহরে। পেশায় ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সত্যার্থী ১৯৮৩ সালে গড়ে তোলেন ‘বাচপন বাঁচাও আন্দোলন’ বা শৈশব রক্ষা আন্দোলন নামের একটি সংস্থা।
এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তিন দশক আগে কৈলাশ তাঁর প্রকৌশল জীবনের ইতি টানেন। বর্তমানে অলাভজনক এই সংস্থাটি ভারতে শিশু পাচার ও শিশুশ্রম বন্ধে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি ৩০ বছর ধরে পাচার হওয়া শিশুদের উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে। ভারতজুড়ে সংগঠনটির রয়েছে স্বেচ্ছসেবীদের বিশাল নেটওয়ার্ক।
নোবেল পুরস্কার পাওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে আজ কৈলাশকে নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। শিশু অধিকার আন্দোলনের অন্যতম কৈলাশ সত্যার্থীর জন্ম ১৯৫৪ সালে ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের বিদিশা শহরে। পেশায় ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সত্যার্থী ১৯৮৩ সালে গড়ে তোলেন ‘বাচপন বাঁচাও আন্দোলন’ বা শৈশব রক্ষা আন্দোলন নামের একটি সংস্থা।






